
সিলেট নগরীর শাহপরাণ থানাধীন শিবগঞ্জ সোনারপাড়াস্থ উপশহর রোডস্থ সোনারপাড়া এলাকায় ছাত্রজনতার ওপর হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, এমপিসহ ৮১ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সিলেটের মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট ২য় আদালতে মামলাটি দায়ের করেন শিবগঞ্জ হাতিমবাগ এলাকার বিরু মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম। মামলায় ৮১ জনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাত ৫০/৬০ জনকে আসামি করা হয়।
মামলায় আসামীরা হলেন, আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, হাবিবুর রহমান হাবিব, শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, নাজমুল ইসলাম, রাহেল সিরাজ, দেবাংশু দাস মিঠু, দেলোয়ার হোসেন রাহি, হাবিবুর রহমান হাবিব, জাহাঙ্গীর আলম, রোহেল আহমদ, তুহিন, ইসলাম উদ্দিন, আমিরুল ইসলাম, মোঃ আজব আলী, মোঃ সিরাজুল ইসলাম, রেজাউল ইসলাম রেজা, আব্দুল আজিজ, রহমান আলী, মন্টু মিয়া, ভিডি জাহাঙ্গীর আলম, আনোয়ার হোসেন, শফিকুল ইসলাম, জামাল আহমদ, শাকিল আহমদ, আল মারজান, মনর মিয়া, আব্দুর রহিম, কাজল আহমদ, জগলুল আহমদ, ফয়ছল আহমদ, বাবলু আহমদ, জুবের আহমদ, আক্তার হোসেন, ইফতেখার শামীম, আবু বকর হিরণ, সুমন, মুমিন উরফে লম্বা মুমিন, কামরুজ্জামান চৌধুরী, কয়ছর আহমদ, বেলাল আহমদ, সুনু মিয়া, আমির হোসেন, মাসুক উদ্দিন, সাবের আহমদ, শাহিন শাহ, লাভলু আহমদ, কাওসার আলী কাওসান, নাজু আহমদ, আব্দুল মালেক মালিক, রাহী আহমদ, সামছুল আলম লস্কর, খালিউর রহমান ছানা, সাবুল আহমদ সবুজ (হুখাই), ছইল মিয়া, সুহেল মিয়া, ছামির আলী, আব্দুল মোমেন, মনিন্দ্র রঞ্জন সে, আফজল উরফে রামদা আফজল, আব্দুললাহ আল মামুন, রাজিত মাহমুদ, সৈয়দ নাহিদ রহমান উরফে ককটেল সাব্বির, শামীম ইকবাল, গিলমান, আব্দুল্লাহ আল মামুন, অনিক দাস, শাহিন আহমদ, মঞ্জুর খান, সাদিকুর রহমান আজলা, আনছার, জান্নাতুল নাসরিন উর্মি, শামীম আহমদ, মনসুর আলী লিপু, জাহেদ, আফসার আহমদ, এবাদুর রহমান, কবির আহমদ, কুটিন মিয়া, ছয়েফ খান, তারেক উরফে বটলা তারেক, মোসতাক খান সহ অজ্ঞাতনামা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ৫০/৬০ জন।
মামলার অভিযোগে মামলার বাদী উল্লেখ করেন, গত ৪ আগষ্ট জুলাই বেলা ১২টার দিকে ছাত্র জনতার আন্দোলনের অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, দাঙ্গাবাজ আসামীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় ওপর অভিযুক্তরা দেশিয় অস্ত্র নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে। তারা নিরস্ত্র ছাত্র জনতার ওপর দেশিয় অস্ত্রসস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে। আন্দোলনরত ছাত্র জনতার ওপর গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি ও কতেক অজ্ঞাত পুলিশ অফিসার হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। ৫০/৬০ ছাত্রজনতার জনের ওপর তারা ঝাপিয়ে পড়ে। তখন উল্লেখিত আসামিদের কয়েকজন তাদের হাতে থাকা অস্ত্র দিয়ে গুলি করে হত্যাযজ্ঞ চালায়। উক্ত গুলি সাইফুল মাথায় ৩০টি ছররা গুলিবিদ্ধ হয়। তাৎক্ষনিক সাইফুল ইসলাম সহ আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে আদালতে মামলা দায়েরের পরামর্শ দেওয়া হয়।