1. admin@dailyprothomsylhet.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শান্তিগঞ্জে পিকআপের ধাক্কায় মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি গুরুতর আহত কুরিয়ারে পাঠানোর আগেই ধরা পড়ল ১ লাখ শলাকা অবৈধ সিগারেট শান্তিগঞ্জে মহাসড়কে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৯ শ্রীমঙ্গলের ভুনবীরে শতবর্ষী রাস্তা বন্ধের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী শ্রীমঙ্গলে বাড়ির আঙিনায় ১২ ফুটের অজগর, দেখতে ভিড় মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশে তাহিরপুর উপজেলার ইউএনও মেহেদী হাসান মানিক লাখাইয়ে নির্মাণাধীন মসজিদে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু শান্তিগঞ্জে ঐতিহাসিক নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে তবলীগ জামাতের মুসল্লীদের নগদ অর্থ ও মোবাইল চুরি-থানায় অভিযোগ দায়ের শ্রীমঙ্গল নতুন বাজারে সাপ দেখে আতঙ্ক, পরে উদ্ধার

জৈন্তাপুরে জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে ২০টি পরিবার তিন বছরেও হয়নি ড্রেইন নির্মাণ

মুরাদ হাসান, জৈন্তাপুর:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৪০০ বার পঠিত

 

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে মাটি ভরাট করে নির্মাণ করা হয়েছে একাধিক প্লট ও স্থাপনা। তবে পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না করায় বিগত তিন বছর ধরে ওই এলাকার অন্তত ২০টি পরিবার চরম জলাবদ্ধতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসীর অভিযোগ, ১০টি প্লটে মাটি ফেলে উঁচু করে গড়ে তোলা হয়েছে ভবনের ভিত্তি, কিন্তু ড্রেইনেজ ব্যবস্থা গড়ে না তোলায় বর্ষাকালে পরিস্থিতি হয়ে ওঠে ভয়াবহ। জলাবদ্ধতায় পুকুরের মাছ, গবাদিপশু, ফলজ ও বনজ গাছ, এমনকি ছোট ছোট চারাগাছ পর্যন্ত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। জমে থাকা দুর্গন্ধযুক্ত পচা পানিতে ছড়াচ্ছে মশা-মাছি ও বিভিন্ন রোগজীবাণু, যার ফলে বাড়ছে শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে রোগবালাই।

ভুক্তভোগী আলকাস মিয়া জানান, “বর্ষাকালে বাড়ি থেকে বের হওয়ার কোনো রাস্তা থাকে না। ভারী বৃষ্টির সময় পানি নিষ্কাশনের জায়গা না থাকায় আমরা পুরোপুরি পানি বন্দী হয়ে পড়ি। পরিবার নিয়ে দুঃসহ অবস্থায় থাকতে হয়।”

এলাকার প্রবীণরা জানান, আগে এসব জায়গা দিয়ে প্রাকৃতিকভাবে পানির ঝর্ণা প্রবাহিত হতো, যা বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের মূল পথ ছিল। কিন্তু এখন সেসব ঝর্ণা পথ দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে অট্টালিকা ও নানা ধরণের প্লট। তারা বলেন, “এসব জায়গায় পরিকল্পিতভাবে ড্রেইন তৈরি করলে এমন দুর্ভোগ হতো না।”

স্থানীয় নেতৃবৃন্দ—সাবেক ইউপি সদস্য হাফিজ আব্দুল মুছাব্বির ফরিদ, বর্তমান ইউপি সদস্য অহিদুর রহমান ও চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান চৌধুরী—বিষয়টি জানার পর বহুবার প্লট মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, কিন্তু তাতেও কোনো অগ্রগতি হয়নি।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, এতদিন এলাকার সামাজিক পরিবেশ ও সম্প্রীতির কথা বিবেচনা করে আইনি পথে না গিয়ে ধৈর্য ধরেছেন। কিন্তু এবার তারা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তারা আশাবাদী, প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় সমস্যার দ্রুত সমাধান হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর