1. admin@dailyprothomsylhet.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে ছারছীনার পীর সাহেবের শুভাগমন উপলক্ষে ওয়াজ ও দোয়া মাহফিল বর্ণাঢ্য আয়োজনে শান্তিগঞ্জ বাজারে সুনিয়া রেস্টুরেন্টের উদ্বোধন শান্তিগঞ্জে আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডে তিনটি দোকান পুড়ে ছাই জৈন্তাপুরের উন্নয়নে সবার সহযোগিতা চান নবাগত (ইউএনও) মোহাম্মদ আবুল হাসনাত খাঁন জৈন্তাপুরে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদসহ আটক ৩ শান্তিগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন শান্তিগঞ্জে বিএনপি নেতা সাজল আহমদের দাফন সম্পন্ন, পরিবারে শোকের মাতম সুবিপ্রবির দ্বিতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও তৃতীয় ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন সম্পন্ন বিএনপি নেতা সাজলের আকস্মিক মৃত্যুতে এমপি কয়ছর আহমদ সহ বিভিন্ন মহলের শোক শ্রীমঙ্গলে দস্যুতার মামলায় আরও এক আসামি গ্রেপ্তার, উদ্ধার স্বর্ণের চেইন ও মোবাইল

কাঁঠালের বাম্পার ফলন মধুমাসে ঝুলছে রসালো জাতীয় ফল কাঁঠাল

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১১ মে, ২০২৫
  • ২০৬ বার পঠিত

 

মধুমাস জ্যৈষ্ঠ সারা দেশের মতো সিলেটের পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতেও প্রকৃতির রঙ লেগেছে ফল-ফসলে। আর এই ঋতুতে জাতীয় ফল কাঁঠালের দেখা মিলছে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুর, ফতেহপুর ও জাফলং অঞ্চলে। চলতি বছর এসব এলাকায় কাঁঠালের বাম্পার ফলনে উচ্ছ্বসিত স্থানীয় কৃষক ও উদ্যোক্তারা।

পাহাড়ি ঢালে-ঢোলে কাঁঠালের গাছ যেন ফলের ভারে নুয়ে পড়েছে। হরিপুর গ্রামের বিভিন্ন বাগানে এখন চোখে পড়ে সারি সারি কাঁঠাল গাছ, যার প্রতিটিতেই ঝুলছে ডজনখানেক বা তার বেশি কাঁঠাল। সুগন্ধি, রসালো এবং উন্নত স্বাদের এসব কাঁঠাল স্থানীয় বাজার ছাড়িয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তেও সরবরাহ করা হচ্ছে।

৫নং ফতেহপুর ইউনিয়নের কৃষক সায়েম আহমেদ জানান, “আমি প্রায় এক দশক ধরে কাঁঠাল চাষ করছি। প্রতিবছর ভালো ফলন হলেও এবারের ফলন অতীতের চেয়ে অনেক ভালো হয়েছে। ফলের আকৃতি বড়, রং টানটান, আর গন্ধে ভরপুর। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং আগাম পরিচর্যার ফলে এমন ফলন হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “এখন যদি সরকারিভাবে কৃষি বিভাগের সহযোগিতা পাওয়া যায়, বিশেষ করে সংরক্ষণ ও পরিবহনব্যবস্থায়, তাহলে এ ফলন আমাদের পরিবারের জন্য যেমন আশীর্বাদ হবে, তেমনি স্থানীয় অর্থনীতিতেও বড় অবদান রাখবে।”
জাফলং বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন ‘হাজী সোনা মিয়া রিসোর্ট অ্যান্ড কটেজ’ এর চারপাশজুড়ে বিস্তীর্ণ কাঁঠাল বাগান যেন এক মনোরম দৃশ্যপট তৈরি করেছে। এসব বাগানেও ফলনের হার অভূতপূর্ব।

রিসোর্টের স্বত্বাধিকারী খায়রুল ইসলাম জানান, “আমরা শুধু পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল নই। রিসোর্টের আশপাশের জমিগুলোতে কাঁঠালের বাগান গড়ে তুলেছি। এ বছর এমন ফলন আগে দেখিনি, ফলগুলো দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, খেতেও তেমনি সুস্বাদু। চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। তিনি মনে করেন, “উপযুক্ত বাজার ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক কৃষি পদ্ধতির প্রয়োগে জাতীয় ফল কাঁঠাল এ অঞ্চলে একটি লাভজনক শিল্পে পরিণত হতে পারে।”

স্থানীয় কৃষকদের দাবি, সরকার যদি সংরক্ষণশিল্প, প্যাকেজিং ও রপ্তানির দিকে নজর দেয়, তবে এই জাতীয় ফল কাঁঠালের মাধ্যমে পাহাড়ি এলাকার কৃষকরা যেমন স্বাবলম্বী হতে পারবে, তেমনি জাতীয় অর্থনীতিতেও এটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

 

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর