1. admin@dailyprothomsylhet.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৫, মিশুক ও পিকআপ খাদে শান্তিগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা শান্তিগঞ্জে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বানিয়াচংয়ে শাহ আলমের রুহের মাগফিরাত কামনায় এসএসসি-২০১১ ব্যাচের উদ্যোগে কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল সিলেট সীমান্তে ভারতীয় এয়ারগান ও ওয়াকিটকি উদ্ধার, ২১ লাখ টাকার পণ্য জব্দ যুব দিবস উপলক্ষে শান্তিগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চেয়ারম্যান আজাদের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ ইউনিয়নবাসী, অপপ্রচার বন্ধে আলটিমেটাম জৈন্তাপুরের নতুন ইউএনও আবুল হাসনাত খাঁনের যোগদান Md. Motiur Rahman’s travel permit to the United Arab Emirates শান্তিগঞ্জে সবার জন্য প্রত্যাশা সামাজিক সংগঠনের কার্যালয় উদ্বোধন

চালকের মুক্তির পর হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে প্রত্যাহার ধর্মঘট

মো. আব্দাল মিয়া (হবিগঞ্জ):
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৫৩ বার পঠিত

 

আটক বাসচালককে নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়ার পরপরই হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতারা।

রোববার (৩ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে চালক মান্না দেবকে ছেড়ে দেওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত আসে। ফলে সন্ধ্যা থেকেই সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার মধ্যে চলাচলকারী আন্তঃজেলা বাস চলাচল আবারও শুরু হয়।

হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আবু মঈন চৌধুরী সোহেল দৈনিক প্রথম সিলেটকে জানান, “মৌলভীবাজার থানায় আটক বাসচালক মান্না দেবকে নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়ার পর আমরা বাস চলাচল স্বাভাবিক রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
এর আগে দুপুর থেকে পরিবহন শ্রমিকরা হবিগঞ্জ-সিলেট, মাধবপুর-সিলেট ও হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার-সিলেট রুটে হঠাৎ বাস চলাচল বন্ধ করে দেন। অঘোষিত এই ধর্মঘটে যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হন। প্রতিদিন এ রুটগুলোতে চলাচলকারী প্রায় ৯৫টি বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কয়েক হাজার যাত্রী বিপাকে পড়েন।
হবিগঞ্জ বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন বাস যাত্রীবিহীন অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। কেউ হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন, আবার কেউ বিকল্প ছোট যানবাহনে করে গন্তব্যে রওনা হচ্ছেন।

লাখাই থেকে শিশু সন্তানসহ হবিগঞ্জে আসা দম্পতি নুরুল মিয়া ও খাদিজা আক্তার বাস না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হন। ক্ষোভ প্রকাশ করে নুরুল মিয়া বলেন, “আগে জানলে আসতাম না। এখন বাচ্চা নিয়ে বিপদে পড়ে গেলাম।”
একই অভিজ্ঞতার কথা জানান চিকিৎসক মঈনুল হাসান শাকিল। তিনি বলেন, “জরুরি প্রয়োজনে ভাগ্নেকে সিলেট পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু বাস না পেয়ে সে ফিরে এসেছে। সময়মতো না পৌঁছানোয় গুরুত্বপূর্ণ কাজটাই বাতিল হয়ে গেছে।”

টার্মিনালে দায়িত্বে থাকা নয়ন মিয়া জানান, দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত কয়েকশ যাত্রী বাস না পেয়ে ফিরে গেছেন।
বাসচালক গ্রেপ্তারের বিষয়ে মালিকপক্ষের দাবি, “গত পরশু কণকপুরে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে এক যাত্রী নিহত হন। কিন্তু ওই ঘটনার পর আসল চালক পালিয়ে যাওয়ায় পুলিশ ভুলবশত অন্য একটি বাসের চালক মান্না দেবকে আটক করে।”

এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে পরিবহন শ্রমিকরা রোববার সকাল থেকেই সিলেট, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার রুটে বাস চলাচল বন্ধ রেখে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটের ঘোষণা দেন। তবে বিকেলে চালকের মুক্তির পর ধর্মঘট প্রত্যাহার করে পরিবহন চলাচল স্বাভাবিক করে তোলা হয়।
হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের তথ্য অনুযায়ী, জেলার প্রায় ৯৫টি বাসে কয়েকশ’ শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছেন। এই ধর্মঘট একদিন স্থায়ী হলে প্রায় ৩০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা ছিল বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

 

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর