
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মিঞা মোঃ নুরুল হক বলেছেন, “ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সৎ, যোগ্য, দক্ষ ও খোদাভীরু নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে শিক্ষকদের পাঠদানে যাওয়ার আগে যথাযথ অনুশীলন বা ‘মুতায়ালা’ করে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার কৃত্রিমভাবে এ প্লাস ও পাশের হার বাড়ানোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়েছিল। কিন্তু বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এমন ভ্রান্ত নীতিতে বিশ্বাসী নয়।”
গতকাল (শুক্রবার) সকাল ১১টায় হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার জামেয়া রেদওয়ানিয়া দাখিল মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত অভিভাবক, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
অধ্যাপক নুরুল হক আরও বলেন, “মাদ্রাসা ও স্কুল পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরে পাঠদান, একাডেমিক স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছিল। বিদ্যমান আইনে নানা শর্তের বেড়াজাল থাকায় অনেক প্রতিষ্ঠান কাঙ্ক্ষিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল। এসব সমস্যা চিহ্নিত করে আইনের সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সংশোধিত আইন কার্যকর হলে প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আরও বেশি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবে এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রও বৃদ্ধি করা হবে।”
অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আবু হামিদ মমসাদ হাসানের সভাপতিত্বে এবং সহকারী শিক্ষক সাজ্জাদ বিন লালের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও ইউকের সভাপতি শায়েখ মওদুদ হাসান এবং মহিলা আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোবাশ্বির আহমদ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ২নং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শেখ তখলিছুর রহমান, বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি শিব্বির আহমদ আরজু, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাহিদুর রহমান, দৈনিক সবুজ সিলেট প্রতিনিধি কাউছার উদ্দিন, এনটিভি প্রতিনিধি আখতার হোসেন আল হাদী, মাদ্রাসার সহ-সুপার মাওলানা আতাউর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।