
সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ থেকে হবিগঞ্জ জেলার প্রায় ৬০ হাজার শিক্ষার্থী বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ নিয়ে ক্ষোভ ও আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জেলার শিক্ষক ও অভিভাবকরা।
তাদের দাবি, কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরও পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে, নইলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ঘেরাও করা হবে।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) দুপুরে হবিগঞ্জ সুরবিতান ললিতকলা একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা এ দাবি জানান।
লিখিত বক্তব্যে তারা জানান, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ১৭ জুলাইয়ের পরিপত্রে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই এবার বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। অথচ ২০০৯ থেকে ২০১৯ সালের সমাপনী পরীক্ষা এবং ২০২২ সালের বৃত্তি পরীক্ষায় বেসরকারি শিক্ষার্থীরাও অংশ নিয়ে সাফল্য অর্জন করেছে।
নেতারা বলেন, বৃত্তি শুধু আর্থিক সহায়তা নয়— এটি শিক্ষার্থীর আত্মবিশ্বাস, সামাজিক স্বীকৃতি ও শিক্ষায় অনুপ্রেরণার প্রতীক। কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারি শিক্ষার্থীদের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা জাতীয় শিক্ষানীতির সাম্যের নীতির পরিপন্থী।
২০ আগস্টের মধ্যে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না হলে জেলা ও বিভাগীয় শিক্ষা অফিস ঘেরাও এবং ‘মার্চ ফর ঢাকা’ কর্মসূচির ঘোষণা দেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি মাহমুদ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। হবিগঞ্জের ৯ উপজেলায় ৩০০টির বেশি কিন্ডারগার্টেনে প্রায় ৬০ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারার খবর পেয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে।