
বিভিন্ন বিতর্কের পর চলতি মাসের ৩ আগস্ট উপজেলা ত্যাগ করে অন্য উপজেলায় যোগদান করার পরও বিল বাউচারে স্বাক্ষর করছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার সাবেক প্রকৌশলী আয়েশা আখতার। ইতিমধ্যে তিনি প্রায় ৩৮ লাখ টাকার একটি ম্যাজারমেন্ট বিলে স্বাক্ষর করেছেন একটি সুত্র জানিয়েছে।
জানাযায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি) আজমিরীগঞ্জের প্রকৌশলী আয়েশা আখতার গত ৩ আগষ্ট বদলি হয়ে ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দি উপজেলায় দায়িত্ব পালন করে আসছে। আজমিরীগঞ্জ উপজেলার অঃ দাঃ দায়িত্ব পালন করছেন হবিগঞ্জ জেলার সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মোঃ রোকনুজ্জামান খান।
তারপরও আজমিরীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী অধিদপ্তের এক কর্মচারীর সাথে যোগসাজশে সোমবার দিবাগত রাতে সাবেক প্রকৌশলী আয়েশা আক্তার পূর্বের কর্মদিবসের তারিখে প্রায় ৩৮ লাখ টাকার একটি ম্যাজারমেন্ট বিলে স্বাক্ষর করেন।
সুত্রে জানাযায়, উপজেলার জলসুখা ইউনিয়নের নোয়াগড় গ্রাম সংলগ্ন সিলেট ডিভিশনের বরাদ্দে প্রায় সারে ৫ কোঠি টাকা ব্যয়ে ৮১ মিটার লম্বা ব্রীজ নির্মানের দায়িত্ব পান বি-বাড়িয়া ঠিকাদারি প্রতিষ্টা হাসান এন্টার প্রাইজের স্বত্বাধিকারী খাইরুল হাসান। বদলি হওয়ার পরও অবৈধ ফায়দা হাসিলের জন্য এ স্বাক্ষর করেন।
বদলী হলেও আন-অফিসিয়ালী আজমিরীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী দায়িত্ব এখনো আয়েশা আক্তারের কাছেই রয়েছে বলে সুত্রটি জানায়।
কিন্তু বদলির পরেও তিনি পূর্বের তারিখে একটি ম্যাজারমেন্ট বিলে স্বাক্ষর করেন, যা আইনত অবৈধ বলে জানান সংশ্লিষ্ট দপ্তরের এক কর্মকর্তা।
এবিষয়ে জানতে সাবেক প্রকৌশলীর মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও অপর প্রান্ত থেকে কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে জেলার সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী আজমিরীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলীর অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ রোকনুজ্জামান খান জানান, এবিষয়ে তিনি অবগত নন। পূর্বের তারিখে সে স্বাক্ষর করতে তিনি পারেন না। তিনি এ বিষয়ে নিয়ে দেখছেন বলে জানান।