
নিজ কর্মস্থল অনুপস্থিত থেকে জেলা সদরের একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়মিত প্রাইভেট প্র্যাকটিসে করছেন হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর দন্ত চিকিৎসক (ডেন্টিস) ডাঃ রিয়াদুল হাসান হারুন। দিনের পর দিন অনুপস্থিত থাকার কারণে হাওরাঞ্চলের জনসাধারণ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। মাসে একবার হাজিরা দিয়ে বেতন নেন তিনি এমনটি জানিয়েছেন অনেকে।
আর সিভিল সার্জন বলছেন- খোজ নিয়ে যথাযত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর ডাঃ রিয়াদুল হাসান জানান-মায়ের অসুস্থতার কারনে তিনি অনুপস্থিত আছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সুত্রে জানাযায়, চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারী হাসপাতালে দন্ত চিকিৎসক (ডেন্টিস) ডাঃ রিয়াদুল হাসান হারুন যোগদান করেন এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। তারপর থেকেই মাঝে মধ্যে কর্মস্থলে উপস্থিত হলেও বেশীর ভাগ সময়ই অনুপস্থিত থাকে। গত ১৫ দিন সরেজমিনে গিয়ে ওই চিকিৎসকের অনুপস্থিতির চিত্র দেখা যায়। তবে তিনি জেলা শহরের সবুজবাগ এলাকায় “দি স্কয়ার ডেন্টাল সার্জারীতে” নিয়মিত রোগী দেখছেন।
যদিও হাজিরার বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু থাকলেও সার্ভার সমস্যায় কাজ করছে না বলে জানায় হাসপাতালের একটি সুত্র।
এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ অভিজিত পাল বলেন, ওই চিকিৎসকের অনুপস্থিতিতে আগত সেবা গ্রহিতাদের চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
দাঁতের সমস্যা নিয়ে আগত আনিসুর রহমানসহ কয়েকজন সেবা গ্রহিতাদের আলাপকালে তাঁরা বলেন, গত কয়েকদিন ধরে তাঁরা হাসপাতালের আসেন চিকিৎসা সেবা নেয়ার জন্য কিন্ত তাঁরা চিকিৎসকের দরজা লাগানো দেখে চিকিৎসা না নিয়েই ফেরত ছলে যান। প্রতিদিনই আগত অনেক সেবাগ্রহিতারা সেবা না নিয়েই যাচ্ছে।
দন্ত চিকিৎসক (ডেন্টিস) ডাঃ রিয়াদুল হাসান হারুন বলেন, তাঁর মায়ের লিভারের সমস্যার কারনে কয়েকদিন আসতে পারেননি। প্রাইভেট ক্লিনিকের তিনি প্র্যাকটিসের করেন ঠিকই মায়ের অসুস্থতার কারনে সেখানেও বন্ধ।
উপজেলা স্বাস্থ্য পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন, ডাঃ রিয়াদুল হাসান হারুন অনুপস্থিতিতের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তাঁকে দ্রুত কর্মস্থলে আসার জন্য ওই প্রতিবেদকের সামনেই মুঠোফোনে তাগিদ দেন।
এবিষয়ে যথাযত ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান হবিগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ রত্নদ্বীপ বিশ্বাস।