
লাখাইয়ে ইলেকট্রিক শক দিয়ে অভিনব পন্থায় নির্বিচারে চলছে মাছ শিকার।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকার নদী ও জলাশয়ে ইলেকট্রনিক্স সার্কিট দিয়ে অবৈধ পন্থায় মাছ শিকারের প্রবনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দুর্ঘটনার আশংকাও বেড়ে চলছে।
দ্রুত এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নিলে বিনষ্ট হবে মৎস সম্প সেই সাথে ঘটতে পারে মারাত্মক দুর্ঘটনা।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ২৪ ভোল্টের ব্যাটারি চার্জ দিয়ে ইনর্ভাটার মিশিনের মাধ্যমে ডিসিকে এসিতে রুপান্তর করা হয়। পবর্তিতে পানিতে নেগেটিভ আর লাঠির সাথে জাল বেঁধে ওই লাটির মাথায় বিদ্যুতের প্রজিটিভ লাইনটি দিয়ে পানিতে প্রবেশ করানো হয়। এতে চারপাশের প্রায় ১৫-২০ ফিট পানি বিদ্যুতায়িত হয়ে ওই স্থানে থাকা জলজ প্রাণিসহ সকল মাছ মারা যায়।
তথ্য অনুযায়ী লাখাই উপজেলার হাওরাঞ্চল বেষ্টিত এলাকা শিবপুর গ্রামের আশেপাশে হাওর ভারচর, দশকামান্না ধলেশ্বরী নদীতে এমন অসাধু চক্রের চক্রের সদস্যরা ইনভার্টারের সাহায্যে ইলেকট্রিক শক দিয়ে মাছ শিকার ও প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংস চালিয়ে যাচ্ছে।
রাতের আঁধারে বা দিনের বেলাতেও চলছে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে মাছ শিকার। এ পদ্ধতিতে মাছ শিকারের ফলে মাছের সঙ্গে অন্যান্য জলজ প্রাণীও ধ্বংস হচ্ছে। এভাবে মাছ শিকার অব্যাহত থাকলে খুব দ্রুত মাছের সাথে অন্যান্য জলজ প্রাণীও বিলুপ্ত হওয়ার আশংকা করছেন সচেতন এলাকাবাসী।
এভাবে নির্বিচারে দেশীয় মাছ শিকার অব্যাহত থাকলে মাছের সাথে অন্যান্য জলজ প্রাণীও বিলুপ্ত হওয়ার শঙ্কা করছেন সচেতন মহল।
এবিষয়ে লাখাই উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা কোনিক চন্দ্র শর্মা বলেন মাছ শিকারে এটি একটি ভয়াবহ পদ্ধতি। জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে এবং ক্ষতিকর দিক নিয়ে জেলেদের সাথে আলোচনা করতে হবে। এর পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অসাধু জেলেদের আটক করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, আমরা বামৈয়ে একটি সচেতন মূলক সভাও করেছি।
এব্যাপারে আমি ইউএনও মহোদয় কে অবহিত করা হবে।