
আল্লাহর কাছে পছন্দের কাজগুলোর একটি পশু কোরবানি করা। এর মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা যায়। হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে,
عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ” مَا عَمِلَ آدَمِيٌّ مِنْ عَمَلٍ يَوْمَ النَّحْرِ أَحَبَّ إِلَى اللَّهِ مِنْ إِهْرَاقِ الدَّمِ إِنَّهَا لَتَأْتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِقُرُونِهَا وَأَشْعَارِهَا وَأَظْلاَفِهَا وَإِنَّ الدَّمَ لَيَقَعُ مِنَ اللَّهِ بِمَكَانٍ قَبْلَ أَنْ يَقَعَ مِنَ الأَرْضِ فَطِيبُوا بِهَا نَفْسًا ” وَيُرْوَى عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ ” فِي الأُضْحِيَةِ لِصَاحِبِهَا بِكُلِّ شَعَرَةٍ حَسَنَةٌ ”
আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘কোরবানির দিন আদম সন্তান যে কাজ করে তার মধ্যে আল্লাহর কাছে সব চেয়ে পছন্দনীয় হচ্ছে রক্ত প্রবাহিত করা অর্থাৎ কোরবানি করা। কিয়ামতের দিন তা নিজের শিং, পশম ও ক্ষুরসহ উপস্থিত হবে।
তার (কোরবানির পশুর) রক্ত জমিন পড়ার আগেই আল্লাহর কাছে এক বিশেষ মর্যাদায় পৌঁছে যায়। অতএব তোমরা আনন্দের সঙ্গে কোরবানি কোরো।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১৪৯৩)
অন্য বর্ণনায় এসেছে, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, কোরবানিকারীর জন্য প্রতিটি লোমের বিনিময়ে সওয়াব রয়েছে।’