ফল খাওয়ার মানে হলো পুষ্টির পাওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত ওজন কমানোর একটি স্মার্ট উপায়। ফলে থাকে প্রচুর পুষ্টি, কম ক্যালোরি এবং উচ্চ ফাইবার, যা ওজন কমানোর জন্য উপযুক্ত। সঠিক সময়ে এবং
মুখের নানা সমস্যায় ভুগে থাকেন অনেকেই। বিশেষ করে মুখের দুর্গন্ধ নিয়ে পড়তে হয় অস্বস্তিতে। কারও সঙ্গে কথা বলতে সময় ভুগতে হয় হীনমন্যতায়। কারণ মুখ খুললেই দুর্গন্ধ ছড়ায়। এছাড়া আছে মাড়ির
স্বাস্থ্যকর, উজ্জ্বল চুল বজায় রাখার জন্য অনেক বেশি খরচ করার প্রয়োজন নেই। আপনার রান্নাঘরে থাকা বিভিন্ন উপাদান ব্যবহার করে সবচেয়ে কার্যকর উপায়ে চুলের যত্ন নেওয়া যেতে পারে। ডিমের কুসুম ও
আপেল খোসাসহ খাওয়া উচিত নাকি খোসা ছাড়িয়ে, এই নিয়ে জনমানসে দ্বন্দ্বের শেষ নেই। তবে যারা স্বাস্থ্য সচেতন তারা অনেকেই খোসা ছাড়িয়ে আপেল খাওয়ার পক্ষপাতী। কারণ অনেকেরই ধারণা যে, খোসাতে কীটনাশক
ইদানীং দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে বিটরুট পাউডার। দেহের শক্তি বাড়াতে কিংবা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে বিটরুট পাউডার কাজে আসে বলে দাবি করেন কেউ কেউ। উপকারিতার প্রচলিত তালিকাটাও বেশ লম্বা। আদতেই কি এতটা
কেবল পানি পান করাই যথেষ্ট নয়। আমাদের শরীরের সুস্থতা ও পানিশূন্যতা প্রতিরোধের জন্য নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার খাওয়া জরুরি। হতে পারে তা ডাবের পানি, স্যালাইন কিংবা স্যুপ। এছাড়া
আপনি নিশ্চয়ই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কথা শুনেছেন। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আসলে কী? অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হলো যৌগ বা পদার্থ যা কিছু ফল ও সবজিতে প্রাকৃতিকভাবে ঘটে। আপনি চকোলেটে ফ্ল্যাভানল, রেড ওয়াইনে রেসভেরাট্রল, টমেটোতে লাইকোপিন বা গাজরে
নিরীহ বলে মনে হয় এমন কিছু অভ্যাস কখন আমাদের মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে শুরু করে তা আমরা বুঝতেও পারি না। যদিও আমরা অনেকেই শারীরিক সুস্থতার দিকে মনোযোগী থাকি, কিন্তু আমাদের
বর্তমানে বিশ্বজুড়ে অতি পরিচিত একটি স্বাস্থ্য সমস্যা ডায়াবেটিস। আমাদের দেশেও এমন পরিবার খুঁজে পাওয়া কঠিন যেখানে ডায়াবেটিসের রোগী নেই। কোনো ব্যক্তির রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে না থাকলে ধরে নেওয়া হয়
শিশুকে আপনি যা শেখাবেন, সে সেভাবেই শিখে বড় হবে। তাই ছোটবেলা থেকেই তার সুন্দর অভ্যাস গড়ার দিকে মা-বাবা কিংবা অভিভাবককে মনোযোগী হতে হবে। শিশুকে এমন কিছু অভ্যাস শেখান, যেগুলোর সুফল